
আবাসিক শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন রুটিন
ফজরের আযান - সকাল ৮:০০
আযানের সাথে সাথেই ঘুম থেকে উঠে যাওয়া
মেসওয়াক করা
অযু ও ইস্তেঞ্জা থেকে ফারেগ হওয়া
ফজরের সালাত/নামাজ পড়া
কুরআন তরজমায় অংশগ্রহন করা
কুরআন তিলাওয়াত করা
সকালের নাস্তা করা
গোসল করা
একাডেমিক ক্লাসের প্রস্তুতিমূলক লেখাপড়া করা
সকাল ৮:০০ - সকাল ১০:১০
একাডেমিক ক্লাস
সকাল ১০:১০ - সকাল ১০:৩০
টিফিন করা
অযু ও ইস্তেঞ্জা থেকে ফারেগ হওয়া
একাডেমিক ক্লাসের প্রস্তুতি নেওয়া
সকাল ১০:৩০ - দুপুর ১:০০
একাডেমিক ক্লাস
দুপুর ১:০০ - দুপুর ২:৩০
জোহরের সালাত/নামাজ পড়া
দুপুরের খাবার খাওয়া
একাডেমিক ক্লাসের প্রস্তুতি নেওয়া
দুপুর ২:৩০ – আসরের আযান
একাডেমিক ক্লাস
আসরের আযান - মাগরীবের সালাত/নামাজ
আসরের সালাত/নামাজ পড়া
খেলাধুলা করা
অযু ও ইস্তেঞ্জা থেকে ফারেগ হওয়া
মাগরীবের সালাত/নামাজ পড়া
মাগরীব নামাজের পর - ইশার সালাত/নামাজ
জেনারেল ও আরবী, উর্দু বিষয়গুলির তাকরার
(শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে)
এশার সালাত/নামাজ আদায় করা
ইশার সালাত/নামাজের পর - রাত ৯:৩০
তালিমে অংশগ্রহন করা
জেনারেল ও আরবী, উর্দু বিষয়গুলির তাকরার
(শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে)
রাত ৯:৩০ - ফজরের আযান
রাতের খাবার খাওয়া
দাত ব্রাশ করা
শোয়ার প্রস্তুতি নেওয়া
ঘুমানো
অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ টিফিন বাসা থেকে নিয়ে আসতে হবে এবং টিফিনের নির্ধারিত সময়ে মাদ্রাসায় অবস্থান করে টিফিন সম্পন্ন করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্যান্টিন থেকে নাস্তা/খাবার সংগ্রহ করতে হবে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে টিফিন পিরিয়ডে গেইটের বাইরে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ।

একাডেমিক নিয়ম-কানুন
আবাসিক নিয়মাবলীঃ
-
অনুমতি ব্যতীত মাদ্রাসার বাইরে যেতে পারবে না ।
-
রুম, সিট, জামা, কাপড় গুছিয়ে ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
-
অনুমতি ছাড়া একে অন্যের সিটে যেতে পারবে না।
-
অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত মাদ্রাসায় রাত্রিযাপন করতে পারবে না।
-
পরস্পরে কোনরূপ উপহার বিনিময়, লেনদেন ও ঋণ আদান প্রদান করতে পারবে না।
-
মাদ্রাসার রুটিন অনুসারে পড়া-লেখা, ক্লাস, তাকরার, খাওয়া, গোসল ও ঘুম ইত্যাদি সমাধা করতে হবে।
-
পড়া-লেখা, খাওয়া ইত্যাদির সময় বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।
-
সুন্নতি পোশাক অর্থাৎ ঢিলেঢালা ফুল হাতা বিশিষ্ট গোল জামা ও ঢিলেঢালা সালোয়ার পরিধান করবে। কোনরূপ শর্ট জামা ও জর্জেট বা পাতলা কাপড় পরিধান করতে পারবে না। (এ ক্ষেত্রে কোনরূপ ছাড় দেওয়া হবে না)
-
মাহরাম পরুষ বা মহিলা ব্যতীত অন্য কারো সাথে সাক্ষাত করতে পরবে না।
-
অনুমতি ছাড়া কারো বিছানা, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি জিনিসপত্র ব্যবহার করতে পারবে না।
-
সমস্যা হলে বা কোন অভিযোগ থাকলে অবশ্যই দায়িত্বশীল শিক্ষিকাকে অথবা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা না করে- তা অভিভাবকের কর্ণগোচর করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে না।
-
ট্রাংক এর নিচে ও জানালা দিয়ে আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবে না।
-
পরস্পরে অতি-সম্পর্কে জড়ানো, বন্ধু/বান্ধবী বানিয়ে আড্ডা করা কিংবা হিংসা-বিদ্বেষ ও ঝগড়া-ঝাটি করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকবে।
-
নেকাব বিশিষ্ট গোল-পাট বোরকা, হাত ও পা মোজা ব্যবহার করতে হবে। (কারুকার্য মুক্ত সম্পূর্ণ কালো বোরকা হতে হবে)
-
নিজের কাছে স্বর্ণালংকার ও অধিক পরিমাণে টাকা এবং মোবাইল রাখা যাবে না।
-
অন্য শিক্ষার্থী বা অন্যকারো অভিভাবক অথবা মাদ্রাসার স্টাফ ইত্যাদি যে কোন মাধ্যমে কারো সাথে কোনরূপ যোগাযোগ, আদান-প্রদান, কেনা-কাটা করতে পারবে না।
-
যথাসময়ে খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
-
অফিস এবং শিক্ষিকাদের রুমে প্রবেশের সময় অনুমতি নিতে হবে।
-
মাদ্রাসা প্রবেশ ও ত্যাগের সময় অফিসের খাতায় এন্ট্রি করতে হবে।
-
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে পড়তে হবে।
-
যথাসময়ে খাদ্যগ্রহন করতে হবে।
-
মাদ্রাসা প্রবেশ ও ত্যগের সময় অফিসের খাতায় এন্ট্রি করতে হবে।
-
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কাউকে নিজের রুমে প্রবেশ করানো যাবেনা।
অনাবাসিক নিয়মাবলীঃ
-
মাদ্রাসা আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। (এ ক্ষেত্রে কোনরূপ ছাড় দেওয়া হবে না)
-
অবশ্যই মহিলা/মাহরাম অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে আসা যাওয়া করতে হবে।
-
নেকাব বিশিষ্ট গোল-পাট বোরকা, হাত ও পা মোজা ব্যবহার করতে হবে। (কারুকার্যমুক্ত সম্পূর্ণ কালো বোরকা হতে হবে।
-
মাদ্রাসা কর্তৃক নির্ধারিত ইউনিফর্ম ও আই.ডি কার্ড পরিধান করে আসতে হবে।
-
আসা যাওয়ার সময় কোন শিক্ষার্থীর জন্য জিনিসপত্র কেনা-কাটা বা আদান প্রদানের কোনরুপ দায়িত্ব নিতে পারবে না।
-
স্বর্ণালংকার, গয়না-গাটি পড়ে আসতে পারবে না। ঋণ আদান প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
-
কোন শিক্ষার্থীকে অভিভাবক বা অন্য কারো সাথে কোনরূপ যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারবে না।
-
দরসী কিতাব ছাড়া অন্য কোন বই, সংবাদপত্র বা আপত্তিকর কোনো জিনিস আনতে পারবে না।
-
মাদ্রাসার ভিতরে থাকা অবস্থায় আবাসিক শিক্ষার্থীর সকল নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।
-
কারণে অনুপস্থিত থাকলে লিখিত ছুটি আবেদন করতে হবে।
-
সমস্যা হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।
-
শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা কতৃক নির্ধরিত ইউনিফর্ম পরিধান করে আসতে হবে।
-
মাদ্রাসা ছুটিকালীন সময়ে অভিভাবকগণ নিজ দায়িত্বে বাসায় লেখাপড়ার ব্যবস্থা করবেন।
-
অভিভাবকগণ “অভিভাবক মিটিং” এ উপস্থিত থাকবেন ও গুরুত্বপূর্ন মতামত প্রদান করবেন।
আবাসিক শিক্ষার্থীর যা প্রয়োজনঃ
-
বই,খাতা, ডায়েরি, কলম ও অন্নান্য শিক্ষা সামগ্রী প্রতিষ্ঠান থেকে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করার মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।
-
নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী পোশাক ও অন্নান্য দ্রব্যাদি (বালিশ, বালিশের কভার, মশারি, বেডসিট, লেপ/কম্বল, ব্যবহারিক কাপড় চোপড় ইত্যাদী) অভিভাবক সরবরাহ করবেন। উল্লেখ্য যে, অশালিন পোশাক পরিচ্ছদ ব্যবহার করা যাবে না।
বিঃ দ্রঃ- আবাসিক শিক্ষার্থীর সিট পরিবর্তন এবং বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করেন
আবাসিক শিক্ষার্থীর সাথে সাক্ষাতের সময়ঃ
সাক্ষাতের সময়ঃ
-
দুপুর ০১টা থেকে ২:৩০টা পর্যন্ত
-
বাদ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত
মোবাইলে কথা বলার সময়ঃ
-
দুপুর ০১টা থেকে ২:৩০টা পর্যন্ত
-
বাদ আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত
-
রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত
বিঃ দ্রঃ ইমারজেন্সি ছাড়া অভিভাবকগণ রাতে মোবাইল করবেন না।
-
পড়া চলাকালীন সময় কোন অভিভাবক সাক্ষাতের জন্য আসতে পারবে না এবং সাক্ষাত করতে দেওয়া হবে না। পুরুষ অভিভাবকদের সাক্ষাতের ক্ষেত্রে অবশ্যই মাহরাম হতে হবে। শুধুমাত্র পিতা আসাটাই উত্তম।
-
সাক্ষাতের জন্য আসার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিভাবক কার্ড জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।
-
মহিলা অভিভাবক সাক্ষাতের জন্য আসাটা অতি উত্তম।
-
নির্দিষ্ট সময় ছাড়া মহিলা অভিভাবকগণ মাদ্রাসায় প্রবেশ করতে পারবে না ও ২০ মিনিটের বেশি সময় মাদ্রাসায় অবস্থান করতে পারবে না।
-
সপ্তাহে একাধিক বার সাক্ষাতের জন্য আসতে পারবে না।
-
মহিলা অভিভাবকগণ অবশ্যই শরয়ী পর্দা-বৃত হয়ে সাক্ষাতের জন্য আসবেন।
-
প্রতি শুক্রবার সকাল দশটা থেকে দুপুর বারটা পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সাথে দেখা করা যাবে।
-
সাক্ষাত প্রার্থীকে অফিসে নির্ধারিত খাতায় নিজ নাম, শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি ও শিক্ষার্থীর সাথে সম্পর্কের ধরন উল্লেখ করতে হবে।
-
রাতের বেলা (মাগরিবের পর) কোনক্রমে সাক্ষাত করা যাবে না।
-
ভর্তি ফরমে উল্লেখিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ সাক্ষাৎ, বাসায় নেয়া বা ফোন করতে পারবে না।
-
কোন অভিভাবক প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষার্থীদের আবাসিক রুম ও ক্লাস রুমে প্রবেশ করতে পারবে না।
-
অনির্ধারিত ছুটিতে শিক্ষার্থীদেরকে বাসায় নিতে চাইলে আগেই দরখাস্তের মাধ্যমে জানাতে হবে, অন্যথায় ছুটি পাওয়া যাবে না।
-
শিক্ষার্থীদের ঘন ঘন বাসায় নিয়ে যাওয়া ও ফোন করা শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখার জন্য ক্ষতিকর।
ছুটির নিয়মঃ
-
দুই ঈদের ছুটি সহ বছরে তিন পরীক্ষার পর এক সপ্তাহ করে ছুটি থাকবে।
-
মাদ্রাসা চলাকালীন ১৫ দিন পর পর প্রয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত এক দিনের জন্য ছুটি নিতে পারবে।
-
ছুটি নেওয়ার সময় অবশই রিপোর্ট বইয়ে দায়িত্ব-রত শিক্ষিকা/শিক্ষকের নিয়ে নিবে।
-
নির্ধারিত ছুটি থেকে বিলম্ব করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে এবং দরখাস্ত লিখে দুইজন শিক্ষিকা/ শিক্ষকের মঞ্জুরি সাপেক্ষে ক্লাসে বসতে দেওয়া হবে।
-
অভিভাবক ছাড়া কোন শিক্ষার্থীকে একা ছুটি দেওয়া হবে না।

শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে করণীয়
-
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম বলে সুন্নাত তরিকায় যে কোন কাজ শুরু করবে।
-
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত/নামাজ সুন্নাত ও নফলসহ সময় মত জামাত সহকারে আদায় করবে এবং প্রত্যেক নামাজের পর নির্ধারিত সূরাগুলো ও প্রতিদিন হাফেজগণ কমপক্ষে তিন পারা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা (ছোটরা) আধা পারা এবং (বড়রা) এক পারা পড়বে।
-
আই.ডি. কার্ড ও নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে ক্লাসে আসবে এবং সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পাক-পবিত্র ও পরিপাটি হয়ে থাকবে।
-
প্রতিদিন বাড়ীর কাজ সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকদের কাছ থেকে ক্লাসে স্বাক্ষর করে নিবে।
-
প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন যথাযথভাবে শিখে আসবে।
-
ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট পূর্বে শ্রেণি কক্ষে উপস্থিত হবে। বিলম্বে উপস্থিত হওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
-
মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের স্বাক্ষর সহ শ্রেণি শিক্ষকের কাছে দরখাস্ত জমা দিতে হবে।
-
মাসনূন দোয়াগুলোর ব্যবহার করতে হবে।
-
প্রত্যেক কাজে সফলতার জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা রাখবে, সর্বদা আল্লাহ তা’আলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে।
-
জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর হুকুম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদর্শ মেনে চলবে।
-
শিক্ষার্থীকে সুন্নাতের পাবন্দ হতে হবে, লেবাস-পোশাক শরীয়তসম্মত হতে হবে।
-
মা-বাবা, শিক্ষক ও বড়দের সম্মান করবে, সালাম দিবে, তাঁদের আদেশ-নিষেধ ও উপদেশ মেনে চলবে এবং তাঁরা কষ্ট পায় এমন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকবে।
-
নিজের জন্মভূমিকে ভালবাসবে। দেশের কল্যাণ, এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট থাকবে ও দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবে।
-
জীবনের সফলতার জন্য কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে, সর্বদা সততার ওপর অটল থাকবে এবং মিথ্যা, প্রতারণা ও হটকারিতা থেকে দূরে থাকবে।
-
ক্লাসে প্রবেশ ও ক্লাস থেকে বের হতে হৈ-চৈ, লাফালাফি, ধাক্কাধাক্কি ও দৌড়াদৌড়ি করবে না।
-
দেয়াল, দরজা ও টেবিলে কোন কিছু লেখা, আঁকা, কোন ছবি বা স্টিকার ইত্যাদি লাগানো থেকে বিরত থাকবে।
-
কাগজ, ময়লা-আবর্জনা ও টিফিন বর্জ্য শ্রেণি কক্ষে বা জানালা দিয়ে না ফেলে নির্ধারিত ঝুড়িতে ফেলবে।
-
সহপাঠী বা অন্য কোন শিক্ষার্থীর সাথে ঝগড়া, মারামারি, গিবত, পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ ও অশালীন আচরণ করা থেকে বিরত থাকবে।
-
কারো জিনিসপত্র ব্যবহার করা, নষ্ট করা বা কারো কিছু চুরি করা জঘন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
-
প্রত্যেক মাসের ফি-সমূহ ১০ তারিখের মধ্যে অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।

-
সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ কেবল শিক্ষার্থীর অভিভাবক নন, প্রতিষ্ঠানেরও অভিভাবক। মাসে কমপক্ষে একবার প্রতিষ্ঠানে এসে সন্তান ও প্রতিষ্ঠানের খোঁজ-খবর নিবেন এবং কোন পরামর্শ, মন্তব্য থাকলে অফিসে জানাবেন।
-
শিক্ষার্থীকে বই, খাতা, ডায়েরি ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণসহ ইউনিফর্ম, আই.ডি. কার্ড পরিয়ে নিয়মিত ক্লাসে পাঠাবেন এবং দৈনিক পাঠ শিখা ও বাড়ির কাজ প্রস্তুতিতে সহায়তা করবেন।
-
অভিভাবক প্রতিদিন শিক্ষার্থীর ডায়েরি দেখে স্বাক্ষর করবেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোন নোটিশ, পরামর্শ বা অভিযোগ দেওয়া হলে তা দেখে যাথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
-
অভিভাবক সন্তানের সালাত/নামাজ, দু’আ, আচার-আচরণ, কার সাথে উঠা-বসা ও চলাফেরা করছে তা খেয়াল রাখবেন।
-
প্রতিমাসে সন্তানের লেখা-পড়া ও ভালো-মন্দ এবং সার্বিক অবস্থার খোজ নিবেন।
-
ছুটি-কালীন সময়ে অভিভাবকগণ নিজ দায়িত্বে বাসায় লেখাপড়ার ব্যবস্থা করবেন।
-
মাদ্রাসার নিয়ম নীতি পালনে নিজে সচেষ্ট থাকা ও সন্তান কে উদ্বুদ্ধ করা।
-
ছুটির সময় সন্তানের পর্দার প্রতি বিশেষ লক্ষ রাখা, বাজার-মার্কেটে যাওয়া অথবা বন্ধু/বান্ধবীদের সাথে ঘুরে বেড়ানো থেকে বিরত রাখা এবং পড়া লেখা ও আমলের প্রতি গুরুত্বারুপ করা।
-
অবাধ মেলা-মেশা, বেগানা কারো সাথে কথা বলা বা উঠা-বসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা।
-
সঠিক সময়ে নামাজ আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি দৃষ্টি রাখা।
-
পড়া-লেখা, ফরজ নামাজ ও অন্যান্য আমলের হিসাব রাখা, অবহেলা করলে শাস্তির ব্যবস্থা করা।
-
সন্তান কে অবশ্যই মোবাইল থেকে দূরে রাখা।
-
বাড়িতে থাকা কালীন পারিবারিক বিষয়, ঘরোয়া কাজ কর্ম, সাংসারিক জীবন, রান্নার ধারণা দেওয়া।
-
বাসা থেকে মাদ্রাসায় আনা নেয়ার ব্যবস্থা অভিভাবকগণ নিজ তত্ত্বাবধানে করবেন।
-
“অভিভাবক মিটিং” এ উপস্থিত থাকবেন ও গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করবেন।
-
শিক্ষার্থী যদি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত মাদরাসার এন্তেজাম ফাকি দিয়ে মাদ্রাসার বাইরে গিয়ে কোন দুর্ঘটনায় পতিত হয় কিংবা অভ্যন্তরে থেকেই নিজ কর্মের দ্বারা কোন অঘটনের সম্মুখীন হয় তাহলে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ কে তার জন্য দায়ী করা না।
-
চারিত্রিক কোন ত্রুটি অথবা আপত্তিকর কোন কর্মের কারণে যদি কর্তৃপক্ষ যে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়, অথবা বহিষ্কার করা হলেও তা মেনে নিতে হবে। (শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ অবশ্যই সহনীয় আচরণ করবে)
-
প্রতি চলতি মাসে ১০ তারিখের মধ্যে মাসিক বেতন/খাবারের টাকা/আবাসিক চার্জ পরিশোধ করতে হবে।
-
শিক্ষার্থীর ছুটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে অভিভাবকগণ নিজ নিজ দায়িত্বে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিবেন।
পরিদর্শন ব্যবস্থা ও পরীক্ষাঃ
-
বছরে তিনবার বোর্ড থেকে প্রেরিত পরিদর্শক দ্বারা লেখাপড়ার মান যাচাইয়ের মাধ্যমে শিক্ষার অধিক উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, এছাড়াও দারুল কুরআন রওশন আরা মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে তদারকি করা হয়।
-
মাসিক, সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখার মানোন্নয়ন করা হয়। ১ম, ২য় ও ৩য় পর্বের প্রাপ্ত নম্বর থেকে যথাক্রমে ৩০%, ৩৫% ও ৩৫% নম্বর নিয়ে প্রতি বিষয়ে চূড়ান্ত ফল ও চূড়ান্ত মেধা-ক্রম নির্ধারণ হবে।
-
যদি কোন শিক্ষার্থী যথাসময়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণে ব্যর্থ হয় তাহলে পরবর্তীতে পরীক্ষা দেওয়ার কোন প্রকার সুযোগ থাকবে না।
-
বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শর্তে পরবর্তী ক্লাসে উন্নতি দেওয়া হয়।
-
সকল পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর এবং মেধা-ক্রম আমাদের মাদ্রাসা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।